• ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

TET

রাজ্য

আপাতত স্বস্তি যোগ্য শিক্ষকদের, চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধি সুপ্রিম কোর্টের

অবশেষে কিছুটা স্বস্তির। সৌজন্যে সুপ্রিম কোর্ট। যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ৩১ ডিসেম্বর নয়, ২০২৬ সালের ৩১ অগস্ট পর্যন্ত চাকরিতে বহাল থাকবেন যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকারা। এই সময়সীমার মধ্যেই নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে রাজ্য সরকারকে। এমনই স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য অতিরিক্ত সময় চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)। রাজ্যের তরফে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানোর আবেদন জানানো হলেও আদালত সেই আবেদন আংশিক মঞ্জুর করে প্রায় আট মাসের অতিরিক্ত সময় দেয়। আদালত জানিয়ে দেয়, আগামী ৩১ অগস্টের মধ্যেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে।শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, এই সময়কালে যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকারা নিয়মিত বেতন পাবেন এবং পড়ানোর কাজও চালিয়ে যেতে পারবেন। তবে আদালত স্পষ্ট করেছে, এই সুবিধা শুধুমাত্র শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি কর্মীদের ক্ষেত্রে এই নির্দেশ কার্যকর হবে না।আজকের এই রায়ে বড় স্বস্তি পেল রাজ্য সরকারও। কারণ ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে শিক্ষা ব্যবস্থা সচল রাখা এবং বিদ্যালয়গুলিতে শিক্ষক সংকট এড়ানো রাজ্যের পক্ষে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত আগের যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পরিষেবা ও বেতন বহাল থাকবে।উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৩ এপ্রিল ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেওয়ার সময় সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন করে পরীক্ষা নিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে রাজ্যের শিক্ষা দপ্তরকে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই জটিল প্রক্রিয়া শেষ করা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ায় রাজ্য সরকার সময় বাড়ানোর আবেদন জানায়।আদালতে রাজ্যের তরফে জানানো হয়, নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ স্তরের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ করতে আরও কয়েক মাস সময় প্রয়োজন। পাশাপাশি যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর আর্জিও জানানো হয়। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই এই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২৫
রাজ্য

প্রাথমিকে প্যানেল প্রকাশ করতে সময় বেধে দিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

বুধবার প্রাথমিকে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে প্রাথমিকের ৪২ হাজার ৯৪৯ প্রার্থীর প্যানেল প্রকাশ করতে হবে পর্ষদকে, শুনানি শেষে এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। একই সঙ্গে পর্ষদকে তিনি বলেছেন, প্যানেল আগেই প্রকাশ হয়ে থাকলে সেই প্যানেলের হার্ড ও সফট কপি আদালতে পেশ করতে হবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে।জানা গিয়েছে, মামলাটি মূলত ২০১৪ সালের টেটের নিয়োগকে কেন্দ্র করে। ২০১৬ এবং ২০২০ সালে, দুদফায় নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়। দুই নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা পর্ষদকে প্যানেল প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। গত ১২ ডিসেম্বর পর্ষদ হলফনামা দিয়ে জানায় যে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে একটি প্যানেল প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু ২০১৬ সালের নিয়োগের রীতি মেনে প্যানেল প্রকাশের নিয়ম নেই।পর্ষদের যুক্তি খারিজ করে দুটি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সম্পূর্ণ প্যানেল দেখতে চায় আদালত। প্যানেল প্রকাশ না করে পর্ষদ কি কাউকে আড়াল করতে চাইছে? এই প্রশ্নও তেুলেছিলেন বিচারপতি সিনহা। একইসঙ্গে বেআইনিভাবে চাকরি পেয়েছেন, এমন ৯৪ জনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার কথা জানিয়েছিলেন তিনি।গত ১২ ডিসেম্বর প্যানেল প্রকাশ করতে না চাওয়ার জন্য পর্ষদকে তিরস্কার করেন বিচারপতি। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করে প্রাথমিক শিক্ষক পর্ষদ। ডিভিশন বেঞ্চ ওই মামলা ফেরৎ পাঠিয়ে দেয় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ১৫ জানুয়ারি। ওই দিনই পর্ষদকে আদালতে প্যানেলের হার্ড কপি জমা দিতে হবে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৪
রাজ্য

কেন চাকরি বাতিল হাজার হাজার অপ্রশিক্ষিত প্রাথমিক শিক্ষকদের? কারণ জানালেন আইনজীবী তরুণজ্যোতি তেওয়ারি

অপ্রশিক্ষিত প্রাথমিক শিক্ষকদের চাকরি বাতিল নিয়ে বিজ্ঞ মানুষজন টিভি চ্যানেল, সামাজিক মাধ্যম থেকে চায়ের আসরে ঝড় তুলছেন। কেউ জেনে বলছেন কেউ না জেনে বলছেন। মামলাকারী আইনজীবী তরুণজ্যোতি তেওয়ারি সামাজিক মাধ্যমে বেশ কিছু তথ্য তুলে ধরেছেন।গতকাল সন্ধ্যা থেকে অনেক গুণী ব্যক্তি প্রাইমারি প্যানেল ক্যানসেল নিয়ে তাদের মতামত প্রকাশ করছেন।। তারা কতটা জেনে বলছে সে বিষয়ে সন্দেহ আছে।যাদের চাকরি বাতিল হচ্ছে তারা সবাই অযোগ্য একথা অর্ডারেও বলা হয়নি।যাদের চাকরি বাতিল হয়েছে তারা সবাই ঘুষ দিয়ে চাকরি পেয়েছে এটাও কেউ বলেনি।।তাহলে বাতিল হল কেন? বাতিল হওয়ার অনেকগুলো কারণ আছে তার মধ্যে কয়েকটা লিখছি।।১. Aptitude Test হয়নি অথচ নাম্বার দেওয়া হয়েছে।।২. Reservation Roster মানা হয়নি।।৩. Recruitment Rules 2016 মানা হয়নি।।নিয়ম বা না মেনে নিয়োগ করলে কি হয় সেটা ত্রিপুরা শিক্ষক নিয়োগ মামলায় আশা করি আপনারা জানেন।।এবার আসি হাইকোর্টের রায়ের প্রসঙ্গে।।যাদের চাকরি বাদ গেল তারা সবাই সুযোগ পাবেন নতুন রিক্রুটমেন্ট প্রসেসে এবং তাদের সাথেই সুযোগ পাবেন অন্যান্যরা যারা চাকরিটা পায়নি।।Training যারা করেছেন তাদেরকেও এই রিক্রুটমেন্ট প্রসেসে non trained হিসাবেই ধরা হবে।।Viva + Aptitude টেস্ট পুরোটা ভিডিওগ্রাফি করা হবে।।যারা বাদ গেলেন তারাও এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন এবং এই প্রক্রিয়ায় যদি তারা উত্তীর্ণ হন তাহলে তাদের সার্ভিস ব্রেক পর্যন্ত হবে না কিন্তু যদি অনূর্তির্ণ হন তাহলে চাকরিটা যাবে।।এবার আসি আমার মতামতের উপর।। যারা মামলাটার সাথে যুক্ত নয় এবং যারা কিছু জানেন না এই বিষয়ে তাদের মতামত শুনলাম তাই মনে হল নিজের মতামতটাও দেওয়া প্রয়োজন।।১. ২০১৬ র নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নিয়োগের দিন পর্যন্ত যারা non trained ছিলেন তারা এই প্রক্রিয়ায় সুযোগ পাবেন।।২. Age bar থাকবে না সেই সকল পরীক্ষার্থীদের জন্য।।৩. Reservation roster মেনে প্যানেল তৈরি হলে অনেক যোগ্য প্রার্থীরা চাকরি পাবেন।।৪. আপনাদেরকে বিভিন্ন পোষ্টের মাধ্যমে জানিয়েছিলাম এবং দেখিয়েছিলাম কিভাবে তৃণমূল নেতাদের সুপারিশ পাওয়া প্রার্থীদের Viva + Aptitude Test নম্বর বাড়ানো হয়েছে।। সেগুলো আর থাকবে না।।৫. যাদের চাকরি বাদ গেল তাদের মধ্যে অনেক জন আবার চাকরি ফিরে পাবেন কিন্তু আমার হিসাবে ২৫০০০+ নিয়ে অল্প সন্দেহ আছে এবং তার মধ্যে প্রায় ১২০০০+ এর ঘাপলা খালি চোখে ধরা পড়ছে।।অনেকে আবার এই চাকরি বাদ যাওয়া নিয়ে এই লজিক আনছেন যে এতগুলো পরিবারের কি হবে।। আপনাদের সাথে একমত, এদের পরিবার নিয়ে অবশ্যই চিন্তা করা উচিত।।কিন্তু এদের থেকে যোগ্য যারা রাস্তায় বসে আছে তাদের নিয়ে কোন সময় চিন্তা করেছেন কি? যারা যোগ্য হয়েও বঞ্চিত হয়ে আছে এত বছর তাদের নিয়ে ভেবেছেন কি? ১২৪০০০ TET পাশ করেছিল, তাদের কথা একবারও ভেবেছেন?

মে ১৩, ২০২৩
কলকাতা

টেনে-হিঁচড়ে, চ্যাংদোলা করে ৮৪ ঘন্টার অনশন-অবস্থান তুলে দিল পুলিশ, প্রতিবাদ বিরোধীদের

৮৪ ঘন্টার অনশন-অবস্থান বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে তুলে দিল পুলিশ। বিক্ষোভরত টেট উত্তীর্ণরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও টেনে-হিঁচড়ে, চ্যাংদোলা করে গাড়িতে তোলে পুলিশ। যাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েছিল তাঁদের অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। বলপ্রয়োগ করে আন্দোলন তুলে দেওয়া হয়েছি প্রতিবাদ করেছে রাজ্যের বিরোধী দলগুলি। রাতেই করুণাময়ীতে পৌঁছে যান সিপিএম, কংগ্রেস ও বিজেপি নেতৃত্ব। পুলিশ অবশ্য বলেছে, ১৪৪ ধারা জারি করেছে আদালত, তাই এলাকা খালি করতে হয়েছে। তবে আন্দোলনকারীরা জানিয়ে দিয়েছে, তাঁরা এই দমনপিড়নে দমে যাবেন না। ফের রাস্তায় নেমে আন্দোলন করবেন। আন্দোলনকারীদের তুলে দেওয়ার পর পুরকর্মীরা ঝাড়ু দিয়ে রাস্তা পরিস্কার করে দেয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে আজ, শুক্রবার রাজ্য জুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলন করবে এসএফআই ও ডিওয়াইএফআই। করুণাময়ীতে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছে বাম ছাত্র যুবরা।The Trinamool govt is flouting the basic democratic rights of the hunger-strikers! Section 144 issued against a non-violent protest! Why? I strongly condemn the undemocratic and unethical action of the West Bengal govt! Aparna Sen (@senaparna) October 21, 2022প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে করুণাময়ীতে অনশন অন্দোলনে বসেছিল ২০১৪ টেট উত্তীর্ণরা। তাঁদের যুক্তি ছিল, টাকা নিয়ে দুর্নীতি করে নিয়োগ হওয়ার ফলে তাঁরা চাকরি থেকে বঞ্চিত হয়েছে। পর্ষদের দাবি, দুবার ইন্টারভিউ দিয়েও এরা চাকরি পায়নি। আন্দোলনকারীদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল। এরপর করুণাময়ীতে ২০১৭ টেটে উত্তীর্ণরা অবস্থানে বসে। শেষমেশ আদালতে জারি করা ১৪৪ ধারাকে হাতিয়ার করে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে অবস্থান তুলে নেওয়ার জন্য পুলিশ মাইকে ঘোষণা করতে থাকে। তারপর জোর করে তাঁদের অবস্থান তুলে দেওয়া হয়। অভিনেত্রী অপর্ণা সেন বলপ্রয়োগ করে আন্দোলন তুলে দেওয়ার সমালোচনা করেছেন।*তুমি ভুখা পেটে গরম ভাতের জিদ**তুমি সেই জাদুকর, হারের দেশেও জিত.. **বাংলার কালো সকালে ঘুরে দাঁড়ান সপরিবারে।* pic.twitter.com/gbQzrNZlaX Surjya Kanta Mishra (@mishra_surjya) October 21, 2022পুলিশের এই চূড়ান্ত সক্রিয় হয়ে ওঠার আগে রাতের দিকে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে দেখা করতে যান বাম ছাত্র-যুব নেতৃত্ব। তাঁরা বিক্ষোভকারীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। বিক্ষোভস্থলে গিয়েছিলেন গেরুয়া শিবিরের ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যরাও। তাঁদের সঙ্গেও পুলিশের বচসা বেধে যায়। তৃণমূলের দাবি, অযথা আন্দোলনে উসকানি দিচ্ছে বিরোধীরা।WBs current situation is alarming.Mamata Police applying brute force on agitating candidates of Teacher Eligibility Test 2014 candidates at Salt Lake to forcefully end their legitimate sit-in demonstration near the State Primary Education Board Office.WB or Hitlers Germany? pic.twitter.com/D0Ry9x3hnc Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) October 20, 2022

অক্টোবর ২১, ২০২২
রাজ্য

শেষমেশ শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার মানিক ভট্টাচার্য

টানা ১০ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি গ্রেফতার করল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। সোমবার রাতে দফায় দফায় ইডির সিজিও কমপ্লেক্সের দফতরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় পলাশিপাড়ার তৃণমূল বিধায়ককে। তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় জোকা ইএসআই হাসপাতালে। তারপর তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। ইডি সূত্রে খবর, জিজ্ঞাসাবাদে অসহযোগিতা করছিলেন মানিক ভট্টাচার্য। পাশাপাশি তাঁর বয়ানে অসঙ্গতিও রয়েছে বলে সূত্রের খবর। তাই মানিক ভট্টাচার্যকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে বিস্তারিত ভাবে জেরা করতে চায় ইডির আধিকারিকরা।সুপ্রিমো কোর্টে গিয়ে একাধিকবার নিজের গ্রেফতারি এড়াতে আবেদন করেছেন। কয়েকবার আদালত তাঁকে রক্ষাকবচও দিয়েছে। তাঁর পরিবারের দাবি, সুপ্রিম কোর্টের কক্ষাকবচ থাকা সত্বেও তাঁকে গ্রেফতার করা হল। ইডি আধিকারিকদের বক্তব্য, রক্ষাকবচ দিয়েছে সিবিআইয়ের মামলায়{ সেক্ষেত্রে ইডির গ্রেফতার করতে কোনও অসুবিধা নেই। জানা গিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরেই তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা তাঁর গতিবিধির ওপরে নজর রেখেছেন। নিয়োগের বেআইনি তালিকা তৈরির বিষয়ে মানিক ভট্টাচার্যের বিশেষ ভূমিকা আছে কী না, তা নিয়েই জোরদার তদন্ত করছে ইডি।

অক্টোবর ১১, ২০২২
রাজ্য

সুপ্রিম স্বস্তি মানিকের, আপাতত গ্রেফতার নয় অপসারিত পর্ষদ সভাপতিকে

এক দিনের জন্য মানিকের স্বস্তি। ২৪ ঘন্টার জন্য মানিক ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারের মতো কোনও কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না, টেট সংক্রান্ত সিবিআই তদন্ত মামলায় নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আগামীকাল ফের শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে। উল্লেখ্য, এদিন রাত বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন, আজ রাত ৮টার মধ্যে সিবিআই দফতরে হাজির হতে হবে প্রথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে। সহযোগিতা না করলে প্রয়োজনে সিবিআই তাঁকে গ্রেফতার করতে পারে। তবে সুপ্রিম নির্দেশে কড়া পদক্ষেপ থেকে স্বস্তি পেয়েছেন মানিক। তবে তাঁকে হাজিরা দিতে হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২২
রাজ্য

ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মাঝেই অসুস্থ প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী, এসএসসি দুর্নীতি মামলায় হানা ১৩ জায়গায়

এসএসসি দুর্নীতি মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের জিজ্ঞাসাবাদের মাঝেই অসুস্থ হয়ে পড়লেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ছাড়াও রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেখলিগঞ্জের বাড়িতেও হানা দিয়েছে ইডি-র অফিসারদের একটি দল। ইডির অন্য একটি দল অভিযান চালায় উপেন বিশ্বাসের বাগদার রঞ্জন ওরফে চন্দন মন্ডলের বাড়িতে। পিংলায় গিয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামাইয়ের মামার বাড়িতেও গিয়েছে ইডি। ইডি হানা দিয়েছে এসএসসি-র প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহার বাড়িতেও, গিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান মানিক ভট্টাচার্যের বাড়িতও। শুক্রবার এসএসসি দুর্নীতি মামলায় মোট ১৩টি জায়গায় একযোগে ইডি অভিযান চালিয়েছে। সিজিও কমপ্লেক্স থেকে ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ ইডির আধিকারিকরা অভিযানে বের হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার শহিদ দিবসের মঞ্চেই কেন্দ্রীয় এজেন্সি নিয়ে সরব হয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরের দিনই রাজ্যের দুই মন্ত্রীর বাড়িতে তল্লাশি করছে ইডি। এদিন সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ ইডির অফিসারদের একটি দল নাকতলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে যায়। ৮-১০ জনের একটি দল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়েই ঢোকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে। ভিতরে তল্লাশি ও মন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ চলতে থাকে। গেটের সামনে পাহারায় থাকে কেন্দ্রীয় বাহিনী। পার্থ চট্টোপাধ্যায় অসুস্থ বোধ করায় বাড়িতে চিকিৎসক আনা হয়। মেখলিগঞ্জে আরেক মন্ত্রী পরেশ অধিকারীর বাড়িতেও হানা দিয়েছে ইডি। যদিও মন্ত্রী তখন বাড়িতে ছিলেন না। তিনি কলকাতায় রয়েছেন। আগেই বেআইনিভাবে নিয়োগের দরুন তাঁর মেয়েকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে হাইকোর্ট।

জুলাই ২২, ২০২২
কলকাতা

চাকরি না হলে স্বেচ্ছামৃত্যু, করোনাবিধি শিকেয় তুলে ফের বিক্ষোভ এসএসসি প্রার্থীদের

আট বছর পরেও কেন নিয়োগ হল না, এই অভিযোগে বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ শুরু করেন ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেট উর্ত্তীর্ণরা। আন্দোলনকারীদের মুখে শোনা গেল নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ। অবিলম্বে চাই নিয়োগ। না হলে স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দেওয়া হোক। এদিন দুপুর থেকে এমমনই দাবি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সামনে তীব্র আন্দোলনে এসএসসি প্রার্থীরা।বারবার আদালতে উঠেছে এসএসসি মামলা। তাতে যেমনি উঠেছে প্রাইমারি নিয়োগ মামলা তেমনি উচ্চ প্রাথমিকও। এদিকে সদ্য এসএসসি-র চেয়ারম্যান বলদল হয়েছে। এতদিন শুভশঙ্কর সরকার এসএসসির চেয়ারম্যান পদে ছিলেন। তিনি জানান, তাঁর সময়ে এসএসসি নিয়োগে কোনও অনিয়ম হয়নি। তবে নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করার ব্যাপারেও অভিমত জানান। অন্যদিকে নতুন চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার তিনিও জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ করতে হবে।কোনও হবু শিক্ষকের কোলে একরত্তি শিশু, কারও হাতে পোস্টার, রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে তাঁরা জড়ো হয়েছেন সল্টলেকের আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র ভবনের সামনে। চাকরি প্রার্থীদের দাবি, তাঁরা টেট উর্ত্তীর্ণ হয়েছেন, ডিএলএড রয়েছে, তার পরেও দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা বঞ্চিত। শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগ করে প্রতিবাদে মুখর হয়েছেন এঁরা। তাঁদের বক্তব্য, বারবার সরকারের দ্বারস্থ হয়েও কাজের কাজ কিছু হয়নি। এমতাবস্থায় তাঁরা বাধ্য হয়েছেন আন্দোলনে নামতে। উঠল এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের দাবিও করেন আন্দোলনকারীরা।এদিকে করোনা অবস্থায় এমন জমায়েত ও আন্দোলন ঠেকাতে পথে নামে পুলিশ। তারা আন্দোলনকারীদের কাছে আবেদন করেন দাবিদাওয়া নিয়ে এসএসসি কর্তাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
রাজ্য

SSC: এসএসসি প্রার্থীদের জন্য বড় ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর!

রাজ্যে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ হবে। আগামী দুই মাসের মধ্যে ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। আজ, মঙ্গলবার বিধানসভায় ঘোষণা করলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগের ঢিলেমি ও নানারকমের আইনি জটিলতা, টেট দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন করা হয় তাঁকে। সেই প্রশ্নের উত্তরেই ব্রাত্য বসু এদিন বলেন, যত দ্রুত সম্ভব নিয়োগ করা হবে।ব্রাত্য বসু বলেন, রাজ্য শিক্ষক নিয়োগে বদ্ধপরিকর। আমরা ইতিমধ্যেই প্রাথমিকে ৩৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করেছি। তবে শিক্ষক নিয়োগে অনেক মামলা হয়েছে। মামলা মিটিয়ে নিয়োগের চেষ্টা হচ্ছে। আগামী ২ মাসে এসএসসি-তে নিয়োগ হবে। আদালতের জট কাটিয়েই এসএসসি-তে নিয়োগ হবে দ্রুত। আগামী ২ মাসে ১৫ হাজার এসএসসি শিক্ষক নিয়োগ হবে রাজ্যে। আশ্বস্ত করেছেন শিক্ষামন্ত্রী।এসএসসির মাধ্যমে রাজ্য কবে থেকে আবার শিক্ষক নিয়োগ শুরু করবে, তা নিয়ে বিধানসভায় প্রশ্ন করেন পাথরপ্রতিমার তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক সমীর জানা। প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী এদিন বিস্তারিত বিষয়টি জানান।২০১৬ সালে উচ্চ প্রাথমিক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছিল।এই নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। সেইসব অভিযোগের ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে আইনি জটে আটকে ছিল নিয়োগ প্রক্রিয়া। গত জুলাইয়ে উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগের উপর থেকে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ তুলে দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ।

নভেম্বর ১৬, ২০২১
কলকাতা

ছাত্র পরিষদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত ধর্মতলা

টেট উত্তীর্ণদের বলপূর্বক অবস্থান থেকে তুলে দেওয়ার প্রতিবাদে বিধানভবন থেকে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত মিছিল করল ছাত্র পরিষদ। সেই সময়ই ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ। গার্ড রেল দিয়ে মিছিল আটকে দেওয়া হয়। ধর্মতলা চত্বরে পুলিশ মিছিল আটকালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। আরও পড়ুন ঃ নিয়োগপত্র সত্ত্বেও কাজে যোগ দিতে বাধা, আলিপুর চিড়িয়াখানায় বিক্ষোভ প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার আপার প্রাইমারির ১৪৩৩৯ পদে নিয়োগের দাবিতে পথে নামে টেট উর্ত্তীর্ণরা। বিকাশভবন অভিযানে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয়। ফলে স্কুল শিক্ষা কমিশনের দপ্তরের সামনে অবস্থানে বসেন তাঁরা। আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধিদল বিকাশ ভবনে গিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখাও করেন। কিন্তু বৈঠকে জট কাটেনি। এই পরিস্থিতিতে বুধবার রাতে আচমকা হানা দেয় পুলিশ। তারা অবস্থানরত চাকরিপ্রার্থীদের তুলে দেন। তাদের শিয়ালদহ স্টেশনে পৌছে দেওয়া হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদে এদিন ছাত্র পরিষদ এই কর্মসূচি গ্রহণ করে।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
কলকাতা

অবস্থান মঞ্চ থেকে বিক্ষোভরত টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের বলপূর্বক সরিয়ে দিল পুলিশ

টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের গেজেট পদ্ধতি মেনে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর দাবিতে সল্টলেকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। বুধবার গভীর রাতে আচমকাই বিধাননগর থানার পুলিশ সেখানে হানা দেয়। জোরপূর্বক উঠিয়ে দেওয়া হয় চাকরী প্রার্থীদের। যাতে পুনরায় তাঁরা অবস্থানে বসতে না পারে শিয়ালদহ স্টেশনে পৌঁছে দেওয়া হয় তাঁদের। প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার আপার প্রাইমারির ১৪৩৩৯ পদে নিয়োগের দাবিতে পথে নামে টেট উর্ত্তীর্ণরা। তাঁদের কর্মসূচি ছিল বিকাশ ভবনে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে দাবিদাওয়া তুলে ধরা হবে। তাদের এই কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দিলে স্কুল শিক্ষা কমিশনের দপ্তরের সামনে অবস্থানে বসেন তাঁরা। আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধিদল বিকাশ ভবনে গিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখাও করেন। কিন্তু বৈঠকে জট কাটেনি। আরও পড়ুন ঃ কোভ্যাক্সিনের টিকা নিলেন ফিরহাদ হাকিম টেট উত্তীর্ণদের সমর্থন জানাতে অবস্থান মঞ্চে যান রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলগুলির নেতৃত্বরাও। চাকরিপ্রার্থীদের ন্যায্য দাবিকে উপেক্ষা করে দমন-পীড়নের নীতি নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ জানিয়েছেন বিরোধী দলগুলির শীর্ষ নেতারা। জানা গিয়েছে, আপার প্রাইমারির ১৪৩৩৯ পদ শূন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সেখানে অনেকদিন থেকেই নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে রয়েছে।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
কলকাতা

করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে টেট উত্তীর্ণদের নিয়োগ রাজ্যেঃ মমতা

করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে রাজ্যের টেট উত্তীর্ণদের নিয়োগ করা হবে। সাড়ে ১৬ হাজার শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে টেট উত্তীর্ণদের। ২ মাসের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা হবে। যাবতীয় নিয়মকানুন স্থির করে পরে জানাবে শিক্ষাদপ্তর। বুধবার নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠকে একথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরই পাশাপাশি দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির টেস্ট পরীক্ষাও এবছর নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। শিক্ষা দফতর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। টেস্ট পরীক্ষা না দিয়েই এবার সবাই মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় বসতে পারবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ বিশ্ব বাংলা শারদ সম্মান অনুষ্ঠানে ভারচুয়ালি উপস্থিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন , যাতে কোভিড বিধি মেনে মানুষ ট্রেনে চড়তে পারে, তার জন্য রেলের আরও লোকাল ট্রেন চালানো উচিত। এবিষয়ে রেলের কাছে আবেদন করা হবে রাজ্যের তরফে। পাশাপাশি এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের সমস্ত বাস, ট্যাক্সি, অটো এমনকী লরিরও ফিটনেস, পারমিট এবং লাইসেন্সের মেয়াদ ২০২১-এর ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হল। এটি দীর্ঘদিনের দাবি ছিল বলে উল্লেখ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে যদি গাড়ির অবস্থা খারাপ থাকে, সেক্ষেত্রে নিজেদেরই ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিলেন তিনি। সাফ বার্তা, যাতে কোনওরকম দুর্ঘটনা না ঘটে। তেমনই নবান্নে রাজ্য পুলিশ নিয়েও বড় ঘোষণা করেন মমতা। রাজ্য পুলিশের সঙ্গে নতুন ব্যাটেলিয়ন যোগ করার কথা জানান তিনি। পাহাড়ে রাজ্য পুলিশের সঙ্গে নতুন গোর্খা ব্যাটেলিয়ন যোগ করা হচ্ছে । তেমনই জঙ্গলমহলে, রাজ্য পুলিশের সঙ্গে যোগ হচ্ছে জঙ্গলমহল ব্যাটেলিয়ন। কোচবিহারের জন্য তৈরি হচ্ছে নারায়ণী সেনা। তবে কীভাবে, কবে থেকে নিয়োগ হবে, কারা সুযোগ পাবেন, সেসব রূপরেখা স্থির করার দায়িত্ব তিনি রাজ্য পুলিশের শীর্ষকর্তাদের উপরই ছেড়েছেন।

নভেম্বর ১১, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

আমেরিকা-ইউরোপের সমালোচনার মাঝেই রাশিয়া নিয়ে বড় বার্তা জয়শংকরের, মনে করালেন সেই পুরনো ‘বন্ধুত্ব’

রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নিয়ে ফের নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল নয়াদিল্লি। রুশ তেল কেনা নিয়ে আমেরিকা ও ইউরোপের একাংশের সমালোচনার মধ্যেই বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর মনে করিয়ে দিলেন, ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক শুধুমাত্র বর্তমান পরিস্থিতির উপর নির্ভরশীল নয়। এর পিছনে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস এবং কঠিন সময়ে মস্কোর পাশে থাকার অভিজ্ঞতা। জয়শংকরের কথায়, দেশের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা যখনই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে, তখনই সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পরে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।রবিবার নয়াদিল্লিতে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের আলোচনায় রাশিয়া প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন জয়শংকর। তিনি বলেন, মানুষ যেমন ভাল ইতিহাস ভুলে যায় না, তেমনই খারাপ ইতিহাসও ভুলে যায় না। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে স্বাধীনতার পর থেকে ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের দীর্ঘ সম্পর্কের প্রসঙ্গ। বিদেশমন্ত্রীর মতে, প্রতিটি দেশ নিজের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বিচার করে। তাই ইউরোপ যে ভাবে রাশিয়াকে দেখবে, ভারত একই ভাবে রাশিয়াকে দেখবে, এমনটা হওয়ার নয়।জয়শংকর বিশেষ করে সেই সময়ের কথা মনে করিয়ে দেন, যখন আন্তর্জাতিক মহলের বড় অংশ পাকিস্তানের সামরিক শাসনের পাশে ছিল। তাঁর বক্তব্যে ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রসঙ্গও উঠে আসে। সেই সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠতার কথা উল্লেখ করে বিদেশমন্ত্রী বলেন, ভারতের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা যখন চাপের মুখে পড়েছিল, তখন মস্কো নয়াদিল্লির পাশে ছিল। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় বঙ্গোপসাগরে আমেরিকার নৌবহর পাঠানোর ঘটনাকেও তাঁর বক্তব্যের প্রেক্ষাপট হিসেবে দেখা হচ্ছে।বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য, রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে বদলেছে ঠিকই, কিন্তু তার ভিত্তি এখনও শক্তিশালী। সামরিক সহযোগিতার পাশাপাশি পরমাণু শক্তি, বাণিজ্য, জ্বালানি ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষেত্রেও দুই দেশের সম্পর্ক বিস্তৃত হয়েছে। তাঁর কথায়, রাশিয়া সম্পর্কে ভারতের অভিজ্ঞতা দীর্ঘদিন ধরেই ইতিবাচক এবং সেই অভিজ্ঞতা বর্তমান নীতিতেও প্রভাব ফেলছে।এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন রাশিয়া থেকে ভারতের অপরিশোধিত তেল কেনা নিয়ে পশ্চিমী দেশগুলির চাপ ও সমালোচনা অব্যাহত। জয়শংকর এর আগেও স্পষ্ট করেছেন যে জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে ভারতের সিদ্ধান্ত নির্ভর করে জ্বালানির প্রাপ্যতা, দাম এবং ঝুঁকির মতো বিষয়গুলির উপর। ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং জাতীয় স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েই সরবরাহের উৎস ঠিক করা হয়।রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করেন জয়শংকর। তাঁর বক্তব্য, যুদ্ধের অবসান হওয়া প্রয়োজন এবং আলোচনার মাধ্যমেই তার পথ খুঁজতে হবে। তিনি জানান, ভারত রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় পক্ষের সঙ্গেই যোগাযোগ রেখে সংঘাতের অবসানে সহায়ক ভূমিকা নেওয়ার চেষ্টা করছে। কৃষ্ণসাগরে জাহাজ চলাচল, খাদ্য ও জ্বালানি রফতানি এবং সংঘাত কমানোর মতো বিষয়েও ভারতের আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি।সব মিলিয়ে রুশ তেল নিয়ে পশ্চিমী চাপের মধ্যেও জয়শংকরের বক্তব্যে ভারতের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের অবস্থানই ফের সামনে এসেছে। ইতিহাস, নিরাপত্তা এবং জ্বালানি প্রয়োজনএই তিনটি বিষয়কে সামনে রেখেই মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার বার্তা দিয়েছে নয়াদিল্লি।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

এসআরএফটিআই-এর গেট ভেঙে ঢোকার চেষ্টা! মিছিল ঘিরে তুমুল উত্তেজনা, ছোড়া হল ইট-পাথর

বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল ঘিরে ফের উত্তেজনা ছড়াল এসআরএফটিআই-এর সামনে। অজয়নগর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গেট পর্যন্ত মিছিল করে সংগঠনটি। অভিযোগ, গেটের সামনে পৌঁছনোর পর কয়েক জন মিছিলকারী ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।এ দিকে, মিছিলকারীরা গেটের বাইরে জড়ো হওয়ার সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতরে পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের হেলমেট পরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে। বাইরে থেকে ভিতরে ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগও উঠেছে। পাল্টা বিক্ষোভকারীদের কয়েক জনও আহত হয়েছেন বলে দাবি বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের।এই ঘটনার সূত্রপাত গত রবিবারের একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে। এসআরএফটিআই-এর অডিটোরিয়ামে অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত সমিতির একটি অনুষ্ঠান ছিল। অভিযোগ, সেখানে এসএফআইয়ের কয়েক জন পড়ুয়া গিয়ে উত্তেজনা তৈরি করেন। ভারতমাতা এবং স্বামী বিবেকানন্দের ছবি ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগও ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত সমিতির তরফে প্রতিবাদ জানানো হয়।এর পর দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ইট-পাথর ছোড়াছুড়ির অভিযোগে পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে ওঠে। ঘটনায় কয়েক জন আহত হন বলে দাবি। প্রায় ছয় থেকে সাত ঘণ্টা পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এই ঘটনায় চারটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ সরকার জানিয়েছিলেন, ভারতমাতা বা স্বামী বিবেকানন্দকে অসম্মান করার অভিযোগে কাউকে রেয়াত করা হবে না। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই এ দিন বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল হয়।অজয়নগর থেকে মিছিলটি এসআরএফটিআই-এর গেটের সামনে পৌঁছতেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ, কয়েক জন বিক্ষোভকারী গেট ধরে ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন এবং ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। এর মধ্যেই ভিতরে থাকা পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের দিকে জলের বোতল ও পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে।এই ঘটনায় অধ্যাপক দেবাশিস সেনশর্মা আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ছোড়া ইটের আঘাতেই তিনি আহত হন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বেশ কয়েক জন বিক্ষোভকারীকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।অন্য দিকে, বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের দাবি, তাঁদের কয়েক জন সদস্যও আহত হয়েছেন। সংগঠনের অভিযোগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতর থেকে পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের ছোড়া জলের বোতলের আঘাতেই তাঁদের কয়েক জন জখম হয়েছেন। তবে এই অভিযোগের স্বাধীন ভাবে নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্য মেলেনি।বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যদের বক্তব্য, ভারতমাতা এবং স্বামী বিবেকানন্দের ছবিকে অসম্মান করার অভিযোগের প্রতিবাদেই তাঁদের এই কর্মসূচি। সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই মিছিলের মাধ্যমে তাঁরা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের উত্তেজনা তৈরি হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে পুলিশ। এসআরএফটিআই-এর তরফে এই দিনের ঘটনার বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে গেটের সামনে ঠিক কী ভাবে ইট-পাথর ও জলের বোতল ছোড়াছুড়ি শুরু হয়েছিল, তা নিয়ে দুই পক্ষের অভিযোগই এখন সামনে রয়েছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
বিদেশ

‘বিমানটাকে ধ্বংস করাই ছিল লক্ষ্য’, জেরায় কী বললেন ফ্লাইদুবাইয়ের সহকারী পাইলট? সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

মাঝ আকাশে ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের উপর হামলার ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন তথ্য। তদন্তকারীদের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওমানের নাগরিক সহকারী পাইলট হামাম আল-হামামি জেরায় জানিয়েছেন, যাত্রী-সহ বিমানটি ধ্বংস করাই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। একই জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নাকি বলেছেন, আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না।এই তথ্য প্রকাশ করেছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। তদন্তকারীদের বক্তব্য উদ্ধৃত করে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, সৌদি আরবে জিজ্ঞাসাবাদের সময় হামাম নিজের উদ্দেশ্য সম্পর্কে এমন কথা জানিয়েছেন। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং তাঁর বক্তব্যের পাশাপাশি অন্য তথ্য-প্রমাণও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনাটি ঘটে গত বুধবার। দুবাই থেকে তেল আভিভ যাচ্ছিল ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানটি। মাঝ আকাশে আচমকাই ককপিটে ভারতীয় অধিনায়ক স্মিত মচ্ছরের উপর হামলা করেন সহকারী পাইলট হামাম। বিমানের ককপিটে থাকা জরুরি কুঠার ব্যবহার করে হামলা করা হয়েছিল বলে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এরপর বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুত নীচের দিকে নামতে শুরু করে।আক্রমণের পরেও স্মিত মচ্ছর ককপিটের দরজা খোলার চেষ্টা করেন। শেষ পর্যন্ত যাত্রী এবং বিমানে থাকা অন্যদের সাহায্যে হামামকে কাবু করা সম্ভব হয়। পরে অন্য পাইলটরা বিমানের নিয়ন্ত্রণ সামলে নেন। বিমানটি সৌদি আরবের তাবুকে জরুরি অবতরণ করে।এই ঘটনার পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল, ককপিটে এমন ভয়াবহ হামলার আসল উদ্দেশ্য কী ছিল। প্রথম দিকে ব্যক্তিগত বিরোধের সম্ভাবনা নিয়েও নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরশাহির অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন, তদন্তে সহকারী পাইলটের সন্ত্রাসী হামলা চালানোর চেষ্টা ধরা পড়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও তদন্তে উঠে এসেছে।এখন তদন্তকারীরা হামামের অতীত, তাঁর মতাদর্শ এবং অন্য কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন। ওমানের কর্তৃপক্ষ আগে তাঁর বিমান চালানোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল বলে তদন্ত-সূত্র উদ্ধৃত করে একাধিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। তাঁর কথিত উগ্রপন্থী ভাবধারার বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।হামামকে সৌদি আরব থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং ইজরায়েলের তদন্তকারী সংস্থাগুলি ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে। তাঁর সঙ্গে কোনও বহিরাগত শক্তির যোগাযোগ ছিল কি না, সেই প্রশ্নও তদন্তের অংশ।বিমানটির আকস্মিক পতনের ভয়াবহতাও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। উড়ান-তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটির সময় বিমানটি মাত্র কিছুক্ষণের মধ্যে প্রায় ১৬ হাজার ফুট নীচে নেমে গিয়েছিল। যাত্রী ও বিমানের অন্য কর্মীদের দ্রুত পদক্ষেপ এবং পরে অতিরিক্ত পাইলটদের সহায়তায় বড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়।ফলে ফ্লাইদুবাইয়ের এই ঘটনা এখন শুধু ককপিটে পাইলটের উপর হামলার তদন্তে সীমাবদ্ধ নেই। বিমানটি কেন নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল, হামামের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল, তাঁর অতীত সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ কতটা তথ্য জানত এবং তাঁর সঙ্গে অন্য কারও যোগাযোগ ছিল কি নাএই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হামামের জেরায় উঠে আসা দাবিগুলির পাশাপাশি অন্যান্য প্রমাণও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির ম্যাচে টিকিট কেটেও ঢুকতে পারেননি? এ বার উরুগুয়ে ম্যাচে বড় উপহার, ২২ হাজার পাস বিনামূল্যে!

মেসির ম্যাচে টিকিট কেটেও যাঁরা বঞ্চিত হয়েছিলেন, তাঁদের জন্য বড় ঘোষণা। আগামী ৬ অক্টোবর যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচে ২২ হাজার বিনামূল্যের পাস দেওয়া হবে। গত বছর মেসির কলকাতা সফরের অনুষ্ঠানের জন্য অনলাইনে টিকিট কেনা দর্শকদের মধ্য থেকেই এই সুবিধা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।তবে প্রশ্ন ছিল, সেই পাস পাওয়া যাবে কোথা থেকে এবং কী ভাবে? এ বার সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। তাঁর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ ডিসেম্বর কলকাতায় মেসির অনুষ্ঠানের জন্য যাঁরা টিকিট কিনেছিলেন, তাঁরাই ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচের বিনামূল্যের পাস সংগ্রহ করতে পারবেন।পাস সংগ্রহের সময়ও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ৫ অক্টোবর সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে পাস সংগ্রহ করতে হবে। তবে শুধু আগের টিকিট থাকলেই হবে না। পাস নিতে গেলে সঙ্গে রাখতে হবে বৈধ সরকারি ছবি-সহ পরিচয়পত্র। ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স অথবা পাসপোর্টের মতো পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। একই সঙ্গে গত ডিসেম্বরে মেসির অনুষ্ঠানের জন্য কেনা আসল টিকিটও সঙ্গে রাখতে হবে।অর্থাৎ মেসির অনুষ্ঠানের পুরনো টিকিটটি এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সেই টিকিট এবং বৈধ পরিচয়পত্র যাচাই করার পরেই বিনামূল্যের পাস দেওয়া হবে। নতুন করে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচের টিকিট কেনার প্রয়োজন হবে না এই নির্দিষ্ট দর্শকদের।গত বছরের ডিসেম্বরে মেসিকে দেখতে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বিপুল ভিড় হয়েছিল। বহু দর্শক টাকা দিয়ে টিকিট কেনার পরেও প্রত্যাশিত ভাবে অনুষ্ঠান দেখতে পারেননি। ভিড় ও বিশৃঙ্খলা নিয়ে সেই সময় ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ঘটনার পর বঞ্চিত দর্শকদের ক্ষতিপূরণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন ছিল। এ বার তাঁদের মধ্য থেকে ২২ হাজার দর্শককে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচ দেখার সুযোগ করে দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে।ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই এই ঘোষণা সামনে আসে। তার পর থেকেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, বঞ্চিত দর্শকরা কোথা থেকে পাস সংগ্রহ করবেন। ক্রীড়ামন্ত্রীর ঘোষণায় এ বার সেই অপেক্ষার অবসান হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পুরনো টিকিট এবং বৈধ পরিচয়পত্র নিয়ে পাস সংগ্রহ করতে হবে।ফলে যাঁরা গত ডিসেম্বরে মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে টিকিট কেটেও বঞ্চিত হয়েছিলেন, তাঁদের জন্য এ বার যুবভারতীতেই ফের আন্তর্জাতিক ম্যাচ দেখার সুযোগ তৈরি হল। ৬ অক্টোবর ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচে সেই দর্শকদের একাংশ গ্যালারিতে থাকবেন কি না, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

সৃজলার কাছে বারবার ক্ষমা, এবার প্রকাশ্যেই কাঁদতে কাঁদতে কী বললেন নন্দিনীর মা?

বিগ বসের দুর্গে সৃজলা গুহর সঙ্গে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনা নিয়ে এখনও অনুশোচনায় রয়েছেন নন্দিনী দত্ত। ঘটনার পর একাধিক বার সৃজলার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। এবার প্রকাশ্যেই সৃজলার পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইলেন নন্দিনীর মা। একটি সাক্ষাৎকারে মেয়ের হয়ে ক্ষমা চেয়ে তিনি আবেদন করেন, সৃজলার পরিবার যেন নন্দিনীকে ক্ষমা করে দেয়।নন্দিনীর মা বলেন, পারলে প্লিজ ওকে ক্ষমা করে দিন। দুসপ্তাহ ধরে তো দেখছি, ঘটনার পর থেকে নন্দিনী ভালো নেই।কী ঘটেছিল বিগ বসের দুর্গে? কয়েক সপ্তাহ আগে ক্যাপ্টেন হওয়ার টাস্কে প্রথমে সঙ্গীতের চেয়ার খেলা হয়। সেই পর্বের পর পরবর্তী খেলায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পান সৃজলা, মনামী, জীতু, তনুশ্রী এবং রাজবীর। তাঁদের সামনে ছিল কাঠের ঘোড়ায় বসে থাকার টাস্ক। যিনি শেষ পর্যন্ত ঘোড়ায় বসে থাকতে পারবেন, তিনিই ক্যাপ্টেন হবেন।খেলার নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিযোগীরা অন্যদের ঘোড়া থেকে নামানোর চেষ্টা করতে পারতেন। তবে সেই সময় কারও শরীরে আঘাত না করার নিয়ম ছিল। সেই টাস্ক চলাকালীন নন্দিনী সৃজলাকে ঘোড়া থেকে নামানোর চেষ্টা করেন। সেই সময় সৃজলা পড়ে গিয়ে গুরুতর চোট পান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।চোটের কারণে সৃজলাকে পাঁচ দিন হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল। চিকিৎসার পর তিনি আবার বিগ বসের দুর্গে ফিরে আসেন। সৃজলা ফিরে আসার পর থেকেই নন্দিনীকে একাধিক বার তাঁর কাছে ক্ষমা চাইতে দেখা যায়। নিজের ভুল স্বীকার করে ফের বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি করার চেষ্টাও করতে দেখা যায় তাঁকে।তবে সৃজলার পক্ষ থেকে এই ঘটনায় কষ্ট বা রাগ থাকা স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন অনেকেই। সেই আবহেই কয়েক দিন আগে প্রতিযোগীদের পরিবারের উদ্দেশে চিঠি লেখার সুযোগ দেওয়া হয়। সেই চিঠিতে নন্দিনী তাঁর মা-বাবাকে সৃজলার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ক্ষমা চাওয়ার অনুরোধ করেছিলেন।এবার সেই অনুরোধের কথাই প্রকাশ্যে জানালেন নন্দিনীর মা। মেয়ের হয়ে সৃজলার পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়ে তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকে নন্দিনী মানসিক ভাবে ভালো নেই। তাই সৃজলার পরিবার যদি তাঁকে ক্ষমা করে, সেটাই তাঁদের কাছে বড় বিষয় হবে।অন্য দিকে, সাক্ষাৎকারে রাজবীরের প্রসঙ্গও ওঠে। সেই প্রসঙ্গে নন্দিনীর মা স্পষ্ট করে জানান, মেয়ের পছন্দই তাঁদের পছন্দ। ফলে বিগ বসের দুর্গে সৃজলা-নন্দিনীকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের মধ্যেই নন্দিনীর পরিবারের তরফে এল নতুন বার্তা।সৃজলার চোটের পর থেকে এই ঘটনা নিয়ে বিগ বসের দর্শকদের মধ্যেও আলোচনা চলছে। এক দিকে নন্দিনীর অনুশোচনা ও ক্ষমা চাওয়া, অন্য দিকে সৃজলার পরিবারের প্রতি তাঁর মায়ের প্রকাশ্য আবেদনসব মিলিয়ে ঘটনাটি ফের নতুন করে চর্চায় এসেছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

‘পা ভাঙেনি’ শুভেন্দুর দাবির পরেই নতুন বিস্ফোরণ, মমতার পুরনো ছবি দেখিয়ে কী প্রশ্ন শান্তনুর?

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে ঠিক কী হয়েছিল, পাঁচ বছর পর সেই পুরনো ঘটনা ঘিরে ফের তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কোনও হাড় ভাঙার প্রমাণ ছিল না। একটি চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি দেখিয়ে তিনি এই দাবি করেন এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্তের কথাও জানান।শুভেন্দুর ওই দাবির পরেই এ বার সরব হলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ তথা চিকিৎসক শান্তনু সেন। সমাজমাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে চোট লাগার সময়ের চারটি ছবি প্রকাশ করে তিনি একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন। একটি ছবিতে গোড়ালির কাছে কালশিটের দাগ দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি। অন্য একটি ছবিতে গোড়ালির কাছে রক্তপাতের মতো দাগ রয়েছে। বাকি ছবিগুলিতে পায়ে প্লাস্টার দেখা যাচ্ছে।এই ছবিগুলি প্রকাশ করে শান্তনু সেন দাবি করেছেন, ১০ মার্চ চোট পাওয়ার পর এসএসকেএম হাসপাতালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ের যে ছবি দেখা গিয়েছিল, সেখানে গোড়ালির উপরে কালশিটে ছিল, কিন্তু রক্তপাতের চিহ্ন ছিল না। তাঁর প্রশ্ন, পরে প্রকাশিত ছবিতে রক্তের দাগ দেখা গেল কী ভাবে?শান্তনুর আরও প্রশ্ন, যদি চোট পাওয়ার সময় রক্তপাত না হয়ে থাকে, তা হলে পরবর্তী সময়ে ছবিতে রক্তের মতো দাগ কেন দেখা গেল? একই সঙ্গে পায়ে দীর্ঘদিন প্লাস্টার থাকার বিষয়টিও প্রশ্নের মুখে তুলেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, চিকিৎসক হিসেবে তিনি অভিযোগ করছেন না, কিছু বিষয় নিয়ে পর্যবেক্ষণ জানাচ্ছেন।শান্তনু সেনের দাবি, কোনও আঘাতের কারণে রক্তপাত হলে সাধারণত সেই সময়েই তার প্রকাশ ঘটে। পরে সেই রক্তপাতের ছবি সামনে এলে সেটিকে পুরনো আঘাতের সঙ্গে যুক্ত করা কঠিন। পায়ে প্লাস্টার করার প্রয়োজন হলে সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ের পর তা খুলে ফেলার কথাও বলেন তিনি। তবে এই মন্তব্য তাঁর চিকিৎসক হিসেবে ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ, ২০২১ সালের চিকিৎসা-ঘটনা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়।এত দিন কেন তিনি এই প্রশ্ন তোলেননি, সেই প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন শান্তনু। তাঁর বক্তব্য, এত দিন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল না বলেই তিনি কিছু বলেননি। এখন নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে বলেই তিনি নিজের পর্যবেক্ষণ জানিয়েছেন।একই সঙ্গে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং চিকিৎসকদের নিয়ে পুরনো অভিযোগের প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন শান্তনু। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পারিবারিক চিকিৎসক এসপি দাসকে ঘিরেও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর দাবি, আগে তিনি স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় কথিত ভয় দেখানোর সংস্কৃতি নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন এবং তার জেরেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল।তবে শান্তনুর এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছেন তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলে থাকাকালীন শান্তনু সেন দলের কাছ থেকে একাধিক রাজনৈতিক সুযোগ পেয়েছেন। এত বছর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো চোট নিয়ে প্রশ্ন তোলারও সমালোচনা করেন তিনি।এর মধ্যেই ২০২১ সালের নন্দীগ্রাম-চোটের ঘটনা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী যে চিকিৎসা-নথি প্রকাশ্যে এনেছেন, তাতে ১১ মার্চের পরীক্ষার রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার কথা বলা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। অন্য দিকে, সেই সময়ের চিকিৎসা-পর্বে মমতার পায়ে গুরুতর আঘাতের কথা হাসপাতালের চিকিৎসা-সংক্রান্ত বিবৃতিতে বলা হয়েছিল। ফলে পুরনো নথি, নতুন দাবি এবং পাল্টা প্রশ্ন ঘিরে বিতর্ক আরও জটিল হয়েছে।এই আবহে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষও পুরনো ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে মমতার চোট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ফলে নন্দীগ্রামে ২০২১ সালের সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাঁচ বছর পর আবারও রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আসলে সেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কী ধরনের চোট হয়েছিল, প্রকাশ্যে আসা চিকিৎসা-নথি ও ছবির মধ্যে কী সম্পর্ক রয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তর নিয়েই এখন শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

সিপিএম অফিসের সামনেই হনুমান চালিশা পাঠ! স্বপনের মন্তব্যে তেতে উঠল বাঁকুড়া, ‘ওষুধ’-এর হুঁশিয়ারি

হনুমান চালিশা নিয়ে সিপিআই-এর রাজ্য সম্পাদক স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক আরও বাড়ল। তাঁর মন্তব্যের প্রতিবাদে বাঁকুড়া জেলা সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হনুমান চালিশা পাঠের আয়োজন করল বজরং দল। শনিবার সন্ধ্যার এই কর্মসূচিকে ঘিরে বাঁকুড়া সদর এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। সংগঠনের তরফে স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।সম্প্রতি পশ্চিম মেদিনীপুরের একটি সভায় হনুমান চালিশা পাঠ নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, হনুমান চালিশা হনুমানেরাই পড়ে। তাঁরা হনুমান নন এবং হনুমানের দলও করেন না। তাঁদের রাজনৈতিক আদর্শ মার্কসবাদ, লেনিনবাদ এবং গান্ধীবাদএমনই বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি। সেই মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়।এর পর শনিবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়া জেলা সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হাজির হন বজরং দলের কর্মীরা। সেখানে হনুমান চালিশা পাঠ করা হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু কোনও ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে কটাক্ষ করা হলে তার প্রতিবাদ করা হবে।বজরং দলের নেতা বাপ্পা দাস বলেন, স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে। ক্ষমা না চাইলে তাঁরা তাঁদের মতো করে ওষুধ ঠিক করে রেখেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ওষুধ বলতে ঠিক কী বোঝানো হয়েছে, তা স্পষ্ট করেননি বাপ্পা। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরেই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।বজরং দলের দাবি, তাঁদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ছিল। কোনও হিংসাত্মক কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়নি বলেও সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, রাজনৈতিক মতাদর্শের সমালোচনা করা যেতে পারে, কিন্তু ধর্মীয় বিশ্বাসকে আঘাত করে মন্তব্য করা উচিত নয়। সেই কারণেই স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে প্রকাশ্যে মন্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, ওষুধ শব্দটি ব্যবহার করে দেওয়া বার্তাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। বিরোধীদের একাংশের বক্তব্য, ধর্মীয় আবেগকে সামনে রেখে এমন ভাষা ব্যবহার করলে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেনি এবং বজরং দলের পক্ষ থেকেও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের কথাই জানানো হয়েছে।ফলে হনুমান চালিশা নিয়ে স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বাঁকুড়ায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছে। সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হনুমান চালিশা পাঠ এবং তার পরেই ক্ষমা না চাইলে ওষুধ-এর মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

বাইরনের বাড়িতে আগুনের নেপথ্যে কী? দুর্ঘটনা, না কি ইচ্ছাকৃত অগ্নিকাণ্ড—তদন্তে পুলিশ

মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানে নিজের বাড়িতে অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ তাঁর বাড়ি থেকে আগুনের শিখা ও ঘন কালো ধোঁয়া বের হতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর দেওয়া হয় দমকলে। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে বাড়ির ভিতর থেকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় বাইরনকে উদ্ধার করা হয়। এই অগ্নিকাণ্ড কী ভাবে ঘটল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্থানীয়দের দাবি, বাড়ির দোতলা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে তাঁরা প্রথমে বিষয়টি বুঝতে পারেন। খবর পেয়ে দমকল ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়দের তৎপরতায় বাইরনকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয় বলে পুলিশ ও দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে।অগ্নিকাণ্ডে বাইরনের হাত ও পায়ের বেশ কিছু অংশ পুড়ে গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে শরীরের কতটা অংশ পুড়েছে, তা নিয়ে ভিন্ন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। তবে তাঁর আঘাতের মূল জায়গা হাত ও পা বলেই জানা গিয়েছে।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, কী ভাবে বাইরনের বাড়িতে আগুন লাগল? প্রাথমিক ভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ নিশ্চিত হয়নি। পুলিশ ও দমকল বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। একটি প্রতিবেদনে বৈদ্যুতিক গোলযোগ বা বাড়ির সঙ্গে যুক্ত বিড়ি তৈরির কারখানা থেকে আগুন ছড়ানোর সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছে। ফলে এখনই ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হামলা বা পুড়িয়ে মারার চেষ্টা বলে নিশ্চিত করার মতো তথ্য সামনে আসেনি।তবে ঘটনাটি ঘিরে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বাইরন সেই সময় বাড়ির ভিতরে কেন ছিলেন, আগুনের সূত্রপাত ঠিক কোথায় এবং কী ভাবে আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ল, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডের পিছনে দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা স্পষ্ট হবে না।বাইরন বিশ্বাসের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আপাতত স্বস্তির খবর দিয়েছে পুলিশ। জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, তাঁর আঘাত খুব গভীর নয় এবং তিনি স্থিতিশীল রয়েছেন। অন্য দিকে, অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ ও দমকল। ফলে সাগরদিঘির বিধায়কের বাড়িতে এই আগুন নিছক দুর্ঘটনা, না কি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তরই এখন খুঁজছে তদন্তকারীরা।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal